রাস্তা মরনফাঁদ,যাত্রীদের চরম দূর্ভোগ,নেই প্রশাসনের উদ্দ্যোগ
সেনবাগে সড়ক বিভাগের ২৪ কি: মি:
রাস্তা মরনফাঁদ,যাত্রীদের চরম দূর্ভোগ,নেই প্রশাসনের উদ্দ্যোগ......
সেনবাগ উপজেলার একমাত্র প্রধান সড়ক সওজ বিভাগের সোনাইমুড়ী- সেনবাগ- চন্দেরহাট ২৪ কি: মিটার রাস্তা বর্তমানে চলাচল অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। রাস্তাটি বিগত সরকারের আমলে ২০০৪ সালে ১৮ ফুটে উন্নীত করে নির্মিত হবার পর থেকে ওয়ান ইলেভেন সহ দীর্ঘ ১৩ বছরে ও সংস্কার না করায় রাস্তাটির প্রায় ৩ হাজার স্পটে খানাখন্দ বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। এতে করে বাস,ট্রাক,সিএনজি অটোরিক্সা সহ সকল ধরনের যানবাহন ও যাত্রীদের চলাচলে চরম দূর্ভোগে পড়তে হচ্ছে প্রতিনিয়তই। এ সড়কে বিভিন্ন ধরনের কয়েকশত যানবাহন ও পন্যবাহী গাড়ী চলাচল করছে ঝুঁকি নিয়ে। পুরো রাস্তা ব্যবহার অনুপযোগী হওয়ায় প্রতিনিয়ত রিক্সা, অটোরিক্সা, সিএনজি সহ সকল ধরনের যানবাহনের ক্রুটিতে ক্ষুব্দ চালকরা।
সেনবাগের ছাতারপাইয়া, কানকিরহাট, গাজীরহাটমোড়, সাতবাড়ীয়া, সেনবাগ পৌরশহর, রাস্তারমাথা, কল্যান্দী, মিয়ারহাট, ফকিরহাট ও চন্দেরহাট পর্যন্ত রাস্তাটির করুনদশা। ভুক্তভোগীরা বলছেন এটি
একটি মরনফাঁদ।এখানে নেই কোন
জনপ্রতিনিধি, নেইকোন প্রশাসন,নেই কোন
জবাবদিহিতা! দীর্ঘ ১৩
বছরেও সড়কটি মেরামত না হওয়ায় চলতি
বর্ষায় রাস্তাটি বিলীন হবার
আশংকা রয়েছে। বর্তমান সরকারের চলতি মেয়াদে গত বছর রাস্তাটিতে ৪০ লাখ টাকা
মেরামতের অর্থ ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান ও সড়ক
বিভাগের কর্মকর্তারা লেপাদুরস্তকরে দায়সারামতে কোন রকম
কাজকরে অর্থ হাতিয়ে নেয়ার অভিযোগ রয়েছে। সংশ্লিষ্টরা যদি তদারকি করত তাহলে ৬
মাসের ব্যবধানে রাস্তার বেহাল অবস্থা হতোনা।মেরামতের সময় কাজটি
সিডিউল মোতাবেক করার জন্য
এলাকাবাসী ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান কে অনুরোধ করলে তারা দাম্ভীকতার সাথে বলতো অমুকভাইয়ের কাজ তমুকভাইয়ের কাজ। বাড়াবাড়ি করলে সমস্যা আছে। মেরামতের সময় সড়ক বিভাগের কোন কর্মকর্তা বা সহকারী প্রকৌশলীদের তদারকি ছিলনা চোখে
পড়ারমতো। মাঝে মধ্যে
সড়ক বিভাগের একটি পিকাপভ্যান হালকা তেলে কনাভিজিয়ে কিছু কিছু গর্তে
সংস্কার করে সরকারী অর্থ অপচয় করেছে। বর্ষা আসার আগ
থেকেই গুরুত্বপূর্ন সড়কটি মেরামতের জন্য স্থানীয় এমপি সহ
সংশ্লিষ্ট দপ্তরে অনেকেই যোগাযোগ করেছেন। ছাতারপাইয়া থেকে চন্দের হাট পর্যন্ত সড়কটির পাশে স্কুল,
কলেজ, মাদ্রাসা, মসজিদ, হাসপাতাল, বাজার, উপজেলা পরিষদ,পৌরসভা,থানা সহ প্রায়
অর্ধশতাধিক গুরুত্বপূর্ন প্রতিষ্ঠান রয়েছে। বিধিবাম করোরই কোন
ভ্রক্ষেপ নেই। রাস্তাটির বেহালদশায় সকলেই তেক্ত
বিরক্ত।সড়ক পরিবহন ও সেতু
মন্ত্রী এবং বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের বাড়ী নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জে। সম্প্রতি জিলা স্কুল
ময়দানে মন্ত্রীকে দেয়া সংবর্ধনা সভায় তিনি রাস্তাটি একনেকে পাশ হয়েছে
বলে এটির গুরুত্ব দিয়ে দ্রুত বাস্তবায়নের ঘোষনা দিয়েছিলেন। তা আজো
হয়নি।
সড়ক বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী জাহিদুর রহমান ২০/০৪/২০১৭ ইং দুপুরে মানবজমিনকে বলেন, সোনাইমুড়ী থেকে গাজীরহাট পর্যন্ত ১৪ কি:
মি: রাস্তা দরপত্র আহবান করা
হয়েছে। অর্থ প্রাপ্তির পর বাকী ১০
কি: মি: রাস্তা সংস্কার হবে।
সড়ক ও সেতু মন্ত্রীর পিআরও আবু নাছের টিপুর সাথে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন, সড়কটি ১৮ ফুট থেকে ৬ ফুট বৃদ্ধি করে ২৪ ফুটে উন্নীত করা হবে।
গত ২০/০৪/২০১৭ বিকেলে স্থানীয় সংসদ সদস্য ও আরটিভির চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মোরশেদ আলম মানবজমিন কে বলেন,১৪ কি: মি: রাস্তায় ৭ কোটি ৭৫ লাখ টাকার দরপত্র হয়েছে।পর্যায়ক্রমে বাকী রাস্তাটির মেরামত কাজ সম্পন্ন হবে।
সড়ক ও সেতু মন্ত্রীর পিআরও আবু নাছের টিপুর সাথে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন, সড়কটি ১৮ ফুট থেকে ৬ ফুট বৃদ্ধি করে ২৪ ফুটে উন্নীত করা হবে।
গত ২০/০৪/২০১৭ বিকেলে স্থানীয় সংসদ সদস্য ও আরটিভির চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মোরশেদ আলম মানবজমিন কে বলেন,১৪ কি: মি: রাস্তায় ৭ কোটি ৭৫ লাখ টাকার দরপত্র হয়েছে।পর্যায়ক্রমে বাকী রাস্তাটির মেরামত কাজ সম্পন্ন হবে।



Comments
Post a Comment